ভারত, ও নেপালের চেয়ে বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আমার দেশ হিসেবে তৃতীয় গঠন রয়েছে বাংলাদেশ। পছন্দ পরের আছে নেপাল, ভারত অবস্থানে ও আফগানিস্তান। আর পছন্দে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। সিডনি ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক 'ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিকস অ্যান্ড্রয়েড পিস' (আইইপি) প্রদর্শন গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) ২০১৭-এ বাংলাদেশ এই অবস্থানে রয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আমার দেশ হিসেবে তৃতীয় গঠন রয়েছে বাংলাদেশ। পছন্দ পরের আছে নেপাল, ভারত অবস্থানে ও আফগানিস্তান। আর পছন্দে রয়েছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। সিডনি ভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক 'ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিকস অ্যান্ড্রয়েড পিস' (আইইপি) প্রদর্শন গ্লোবাল পিস ইনডেক্স (জিপিআই) ২০১৭-এ বাংলাদেশ এই অবস্থানে রয়েছে।

৬৩টি দেশের মধ্যে ২.০৩৫ স্কোর নিয়ে অবস্থান ৮৪তম।

তিন ভাগ বিভক্ত ২৩টি (ইনডিকেটর) নির্দেশক নিয়ে শান্তি পরিমাপ করেছে আইপিআইপি। এই নির্দেশকদের মধ্যে রয়েছে, সামাজিক নিশ্চয়তা, নিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংঘাতের অংশীকরণ ও নিয়ন্ত্রণ।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্রুপ দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে আইসল্যান্ড। ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশটি শীর্ষস্থান ধরে ধরে। কলকাতা আইসল্যান্ডের পর নিউজিল্যান্ড, পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া ও ডেনমার্ক। আর যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান ও বাইরের তলানিতে রয়েছে।

জিপিআই অনুযায়ী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভূটান সবচেয়ে শান্তির দেশ। ভুটানের অবস্থান ১৩তম। ভুটানের পর শ্রীলঙ্কা (৮০), বাংলাদেশ (৮৪), ভারত (১৩৭), পাকিস্তান (১৫২) ও আফগানিস্তান (১৬২)।

প্রকাশকারী সংস্থাটি বলছে ২০১১ সালে যুদ্ধ শুরু করার পর শান্তির দিকে অগ্রসর হয়েছে এ বছর শান্তি সূচকে ৯৩টি দেশের অগ্রগতি হয়েছে। আর ৬৮টি দেশের অবস্থা খারাপ হয়েছে। সে দিক থেকে ০.২৮ শান্তি ছড়িয়েছে।

এছাড়াও পড়ুন  অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাঁর গ্রেপ্তারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আজ হাইকোর্টের রায়

জিপি আই রিপোর্ট ২০০৮ সাল অনুযায়ী রিপোর্ট বা প্রতিবেদন বিশ্বব্যাপী অশান্তি ছিল। সে বছর থেকে ৮০টি দেশের অগ্রগতি দেখতে ৮৩টি দেশ অশান্তি আয়োজন করেছে। সে হিসাবে গত আট ভাগ ২.১৪ শতাংশ শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্বব্যাপী আলোচনা।

এই জিনিষের মধ্যে সন্ত্রাসবাদের নামও শান্তির অবস্থা খারাপের দিকে চলে গেছে। ২০০৮ সালে বাজার ২০১৭ সালে ৬০ শতাংশ সন্ত্রাসী তৎপরতা ঘটনা ঘটেছে। আমেরিকা, সুইডেন ও তুরস্ক ২৩ দেশ এ সময় অন্য অন্য ফ্রান্স জিএস চেয়ে বেশি মানুষ সন্ত্রাসী সহ্য যুদ্ধে হারিয়েছেন।

এই খবরের ইংরেজি সংস্করণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন

উৎস লিঙ্ক