গোলে দাখিল পরীক্ষায় পরীক্ষা মেডিক্যাল ব্যবহার করে প্রক প্ল্যাকিং মেয়ের মেয়ে হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক এবং ম্যাজিট রাসেল মুন্সী তাকে এক টাকার জরিমান, অনাদায়ে তিলাওয়ান্ড দালাল। পড়ুইয়া মেয়ে সুমাইয়া খানম পরীক্ষা দিতে কেন্দ্রে যায়।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) গোপালগঞ্জ শহর লীর হরিদাপুর রায়েল টেকন স্কুল এন্ড কলে জকেন্দ্রেঘটনাঘটে।

অভিযুক্ত পরিক্ষার্থী মা খাদি বেগম গোপালগঞ্জ শহর আলিয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষে অংশ নিচ্ছেন।

হরিদাস ভেলটেকন সাদাস্কুল নকলেজকে দ্রষ্টব্য কেন্দ্রীয়পুর আখ্যারিদাসপুর রাস হিমেল জানালেন নন, টেকনোলজির স্কুল এন্ড পিকেল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পড়েছে। এর পরে তার চেহারার অমিল তাকে আট ককরকে জ্ঞানসাবাদ করাহয় সুমাইয়া উপায়, পালগঞ্জ শহর মহিলা আলিয়া মাদ্রাসার দাখিল পর তীক্ষার্থী মা খাদিজা খাদিজা খণ্ডে মে নিকে পরীক্ষায় অংগ করছে।

তিনি বলেন, অভিকেরাজরিমানারতাকপরি শোধকরতে সুমাইয়াকে মুক্ত করে বাড়িতে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ মহিলা আলিয়া আলিয়া মাদ্রাসা র অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম বলেন, ডিপ্লিমাকে মাদরাসা থেকে বহিষ্কার সহ তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী খাদিজা বেগম বলে না, মেয়েকে পরীক্ষা দেওয়া ভুল হয়েছে।





Source link

এছাড়াও পড়ুন  রাহুলকে রায় 'প্রাণীজয় শ্রীরাম' স্লোগা নবিজেপির, কীকরলেনকগ্রেসপ্রার্থী?