সুমিত আহমদ। সিলেট থেকে কানাডার টরেন্টোতে পাঁচ মাস হল। এখনও কোন কাজ পাননি।

প্রতিদিন দুবেলা করে বাংলাদেশি এলাকা উল্লেখিত ড্যাফরম্যান্সে, যদি সুত্রের মাধ্যমে সুজোপাযায় সুযোজনা করা হয়।

একই অবস্থা কাতার প্রবাসী হাসনা শিকদের। তার বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজারে। উন্নত জ বীনের আশায় তিন মাস আগে সুমিত আহমেদের তিনি ও টরন্টোতে আসতে পারেন ভ্রমণ ভিসায়, তবে স্থায়ী হওীর জন্য নিজেকে রিউজি মতবাদের জন্য অনুরোধ করেন। তবে এখনও ওয়ার্ক পারমিট পাননি। আপনি যদি কোনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না ক্যাশে পাশের কাজ পাওয়া যায় কি না আপনি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে পাবেন। ।

সুমিত ও হাসমতের মতো প্রতিদিন অনেক বাংলাদেশির দেখা মেলে টন্টোর ড্যানফোর্থের এলাকায়। , কিন্তু স্থায়ীভাবে থেকে যেতে

মোটকথাদেশেছেড়েকানাডায়আসানতুনদেশআসা নতুনবাংলাদেশে রা নির্ধারণ করছেন, তার খানিকটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়, টোর ড্যানফোর্থ এলাকার বাসিন্দা।

কথা হয় ইমিগ্রান্ত হিসেবে টরন্টোতে আসা বাংল তরুণ সুলাইমান সাহিদের সাথে। তিনি বলছিলেন যে, দেশহিসেবেইমিগ্র্যান্টদের কানাডা অবধি ভাল, কিন্তু সবার জন্য নয়। যাবে।

সুলাইমানবল করছিলেন, গতকয়েকমাসেবিভিন্নপ্রতকমা সেবিভিন্নপ্রতঃ সভাতে দরখাস্ত করেছি, কিন্তু ক থাও থেকে সেভাবে সাড়াপাছিনা।

স্বাগত ক্ষমতাশালী পালক সহমিউটিনিথাকওনতুন স-এর কারণে কাজ না করার একটা কথা বলে মনে হয়। কাজ করার জন্য নূতম যেটি জানাতে হবে, আমার তথ্য জানা নেই।

বাংলাদেশিদের কাজ না পাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর বলেছেন সাংবাদিক গাজী সালা মাহমুদ। ইমিগ্র্যান্ট আনে। সালাক মাহমুদেরমতে, মেইনস্ট্রাজব নেট-এর কর্মক্ষেত্রে সমস্যা আছে। কিন্তু কমিউনিটি বাংলাদেশ বিষয়ক বিষয়বস্তু নিতে হবে।

আর এইসায়ে শব্দ করে পাওয়া সম্ভব নয়। তবে, ভিন্নভাবেআয়-রোজের পথ ধরেছে। তাহলো, নগপারি শ্রমিকেকাজ করা। আর এই নগদ ভিড় কাজগুলোকে সাধারণত বলা হয়-ব রেজগড একজন বাংলাদেশি একজন বল্লদেশী অসামাজিক জনিকে কাজ করে। ব্যবহারে অনেক সস্তায় শ্রমিককে কাজ দিতে পারেন।

আর যারা স্টুডেন্ট ভিসায় আজকে, আমাদের ছাত্রদের আশায় তাদের মনে হয় সালাউ দ্দিনমাহমুদ। দয়া করে, তারা বেটার পার্সনকে বেছে নিচ্ছেন।

এছাড়াও পড়ুন  একজন অপরাধী গল্প বলতে চেয়েছিলেন তিশা

গত কয়েকটা বাংলাদেশ থেকে যারা কানাডায় এসেছেন, সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করতে পারবেন না। আর কাজ পাওয়া সম্ভব নয়।

কিন্তু এই প্রক্রিয়াটাও যেমন বিপ্লবকে সক্রিয় করে, সময়সাকে ​​গ্রহণ করে। থেকে ১০ মাস টাকা।

তারপরও কানাডায় এসেছেন অনেক মানুষ এই পথ বেছে নিচ্ছেন। তুদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে শাহ ফরহাদ।

তবে নিজের মধ্যে স্বাপেক্ষে তারা আলোচনা করতে পারছেন না আর বাস্তবতার ফারাক অনেক একদিকে পারম িট না ওয়ার্ক অপর পাশের কাঁটা দেখতে না পাওয়া, প্রতিমাসে গুণমান হচ্ছে মোটা অঙ্কের বাড়ি আর কথার মূল্যের সঙ্গে আইনজীবীর মূল্য তো আছে।

এমন পরিস্থিতিতে দেশে ফিরে যেতে না চাওয়ায় সিলেটের আবুল আহসান বলেন, ফিরে যেতে হবে না ও পথনাই কষ্ট করে অনেক টাকা খরচ করে এখানে এসেছিলাম, আর তই না কেন এখানেই হবে।

চাকরি না থাকার বিভিন্ন দেশের এমন মানুষদের পাশে রয়েছে কানাডার কিছু প্রতিষ্ঠান। এই লাইনে অবশ্য অনেক দেব শের জানাই দেখা যায়।

বোঝা: ডয়েচে ভেলে

(ট্যাগসটোঅনুবাদ



Source link