বুধবার, ২৪-অক্টোবর ২০১৮, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
  • আন্তর্জাতিক
  • »
  • প্রকাশ্যে ধর্মান্তকরণ কর্মসূচি হিন্দু সংহতির, খবর সংগ্রহে গিয়ে আক্রান্ত সাংবাদিকরা

প্রকাশ্যে ধর্মান্তকরণ কর্মসূচি হিন্দু সংহতির, খবর সংগ্রহে গিয়ে আক্রান্ত সাংবাদিকরা

Shershanews24.com

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

শীর্ষনিউজ ডেস্ক: শহরের রাজপথে প্রকাশ্যে ধর্মান্তকরণ। সেই ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত সংবাদমাধ্যম। ধর্মীয় সংগঠনের গুন্ডাবাহিনীর তাণ্ডব দেখে দর্শক পুলিশ। বুধবার ব্যাপক গন্ডগোলের সাক্ষী থাকল ধর্মতলার রানি রাসমনি অ্যাভিনিউ। ধর্মীয় সংগঠন হিন্দু সংহতির কর্মসূচি ঘিরে এদিন উত্তাল হল শহরের ব্যস্ততম অঞ্চল। অভিযোগ, এদিন প্রকাশ্যেই ধর্মান্তকরণ হচ্ছিল ওই সমাবেশের মঞ্চে। কাদের ধর্মান্তকরণ হচ্ছে, এই প্রশ্ন করতে গিয়েই হিন্দু সংহতির স্বেচ্ছাসেবকরা মারমুখী হয় সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে। বেধড়ক মারধর করা হয় বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের। রক্তাক্ত করে দেওয়া হয় তাঁদের, ভেঙে দেওয়া হয় ক্যামেরা। আরও অভিযোগ, ঘটনার সময় নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল পুলিশ।

হিন্দু সংহতির এমন আচরণে নিন্দার ঝড় শহরের বুদ্ধিজীবী মহলে। ঘটনার জেরে আটক করা হয়েছে হিন্দু সংহতির সভাপতি তপন ঘোষকে। ঘটনার কথা জানতে পেরে সমালোচনায় মুখর হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘সংবাদমাধ্যমের উপর আক্রমণ অত্যন্ত নিন্দনীয় ঘটনা। এর কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কী ঘটেছিল আদতে? জানা গিয়েছে, এদিন রানি রাসমনি অ্যাভিনিউয়ে হিন্দু সংহতির একটি সমাবেশ ছিল। শিয়ালদহ স্টেশনের নাম বদলে ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে রাখার দাবি অনেকদিন ধরেই জানিয়ে আসছে সংঘ পরিবার। সেই দাবি নিয়েই ছিল এদিনের সমাবেশ। কিন্তু সেখানে দেখা যায়, প্রকাশ্যেই সভামঞ্চে কিছু মানুষের ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে। সেই বিষয়েই প্রশ্ন করতে গেলে সাংবাদিকদের দিকে তেড়ে আসে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা। স্বেচ্ছাসেবকদের মারমুখী আচরণ দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে মারধর করা হয়। ভেঙে দেওয়া হয় ক্যামেরা। এমনকী সাংবাদিকদের উদ্দেশে অশ্রাব্য গালিগালাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হিন্দু সংহতির স্বেচ্ছাসেবকদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এই সভামঞ্চ থেকে ধর্মীয় উসকানিমূলক বক্তব্য রাখছিলেন হিন্দু সংহতির নেতারা। তারপর এই ধর্মান্তকরণ কর্মসূচি বহু প্রশ্ন তুলেছে। তবে কী শহরেও ধর্মান্তকরণের আঁচ লাগল?

শীর্ষনিউজ/এসএসআই