সোমবার, ২০-আগস্ট ২০১৮, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • বিসিআইসিতে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও কার্যকর নয়

বিসিআইসিতে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও কার্যকর নয়

Shershanews24.com

প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল, ২০১৮ ০৬:১৭ অপরাহ্ন

শীর্ষকাগজের সৌজন্য : বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজিসহ নানা অপকর্মের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে সরকারি এই সংস্থাটি। দুর্নীতির প্রমাণ হলেও শাস্তি পেতে হয় না বিসিআইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও পাত্তা দিচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। অফিসিয়াল নির্দেশ অকার্যকর হয়ে পড়ায় বিসিআইসির কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন মহল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বিসিআইসির পরিচালক (কারিগরি ও প্রকৌশল) মো. আলী আক্কাছ প্রতিষ্ঠানের প্রবিধানমালা লঙ্ঘন করে বিধি বর্হিভূতভাবে ক্যাডার পরিবর্তনপুর্বক (কারিগরি থেকে বাণিজ্যিক ক্যাডার) অবৈধভাবে পরিচালক পদে পদোন্নতি নিয়েছেন। একই সাথে ঘুষ, দুর্নীতি ও বদলি বাণিজ্যে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে জনৈক মিজানুর রহমান সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত অভিযোগ করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে তদন্তপুর্বক অভিযুক্ত ও দুর্নীতিবাজ পরিচালক আলী আক্কাছের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেয়া হয়। গত বছরের ২৭ নভেম্বর এই নির্দেশ দেয়া হলেও সাড়ে ৩ মাসেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তদন্ত কমিটি গঠন বা তদন্তের কোনও ব্যবস্থা না নিয়েই মন্ত্রণালয়কে এক চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। যা এক ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা ছাড়া কিছুই নয়। বস্তুত: দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তাকে বাঁচানোর জন্যই কর্তৃপক্ষ এমনটি করেছে।
এদিকে বিসিআইসির অধীন এএফসিসিএল (আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড) এর মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) মো. নজরুল ইসলামেরও ঘুষ বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহারসহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকা-, অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য মিলেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে অবস্থিত সরকারি ওই প্রতিষ্ঠানটিতে নজরুল ইসলাম নামের দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তা নিয়োগ পাওয়ার পরই ঘুষের হাট বসিয়েছেন নিজ দফতরে। এমন তথ্য দিয়ে এএফসিসিএল’র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মো. রিপন মিয়া লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ০৬/০৮/২০১৭ তারিখে ওই অভিযোগপত্র বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে দেয়া হয়। যার কপি পৌঁছানো হয় শিল্প মন্ত্রণালয়েও। কিন্তু চেয়ারম্যান অভিযোগের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় গত বছরের ২৭ নভেম্বর একই দিনে আক্কাছ আলীর সঙ্গে নজরুল ইসলামের দুর্নীতিও তদন্তের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে চিঠি দেওয়া হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে লেখা এ সংক্রান্ত ওই চিঠিতে বলা হয়, আলী আক্কাছ ও নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগের ছায়ালিপি (৫১ পাতা) এর সঙ্গে প্রেরণ করা হলো। এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের বিষয়ে তদন্তপূর্বক সুস্পষ্ট মতামত জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য বলা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. খায়রুল কবীর মেনন স্বাক্ষরিত এই চিঠিটি পাঠানো হয় ২৭/১১/২০১৭ তারিখে।
কিন্তু জানা গেছে, ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে তিন মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই দুই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তদন্ত কমিটি গঠন বা কোনও তদন্ত না করেই বিসিআইসি কর্তৃপক্ষ শিল্প মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে যে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। আর এর পর থেকে দুই কর্মকর্তা, বিশেষ করে পরিচালক আলী আক্কাছ দুর্র্নীতিতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
সূত্র জানায়, বিসিআইসিতে পরিচালক আলী আক্কাছের নেতৃত্বে বিশাল একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট পুরো বিসিআইসিকেই নিয়ন্ত্রণ করছে। আলী আক্কাছের বিরুদ্ধে দাখিল করা মিজানুর রহমানের অভিযোগপত্রে এমনই তথ্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আলী আক্কাছের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে অবৈধ পদোন্নতি, পুলিশের বেতনভাতার নামে বিসিআইসির অর্থ আত্মসাত, বিসিআইসির বিভিন্ন কারখানার এমডিদের চাপ প্রয়োগ করে অবৈধভাবে অর্থ আদায়, কর্ণফুলী পেপার মিলের অর্থ আত্মসাতসহ অনেক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে বিসিআইসি চেয়ারম্যানকে নির্দেশ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, আলী আক্কাছ সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য এএফসিসিএল’র পরিচালক (ক্রয়) নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের আনীত লিখিত অভিযোগের একটি অনুলিপি শীর্ষকাগজের হাতেও পৌঁছেছে। অভিযোগে বলা হয়, বর্তমানে এএফসিসিএলে কর্মরত (জিএম, কমার্স) নজরুল ইসলাম ঘোড়াশাল সার কারখানা হতে বদলি হয়ে এখানে এসেছেন। তিনি নিজেকে খুবই ‘পাওয়ারফুল’ একজন কর্মকর্তা বলে দাবি করেন। পরিচালক আলী আক্কাছের ছত্রছায়ায় থেকে তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে নিজস্ব বাহিনী দিয়ে কারখানার ভেতরে এবং বাহিরে সিন্ডিকেট তৈরি করে লাখ লাখ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করে চলছেন। এমনকি তিনি প্রকাশ্যেই বলেন যে, “নজরুল ১০/১২ হাজার টাকা ঘুষ নেয় না। তার রেট সর্বনি¤œ ৫০ হাজার টাকা। দুনিয়াটা হলো- ‘গিভ অ্যান্ড টেক’। আমাকে যে যত বেশি টাকা দিবে আমি তার পক্ষে টেন্ডারে কাজ দিব। আমার উপরস্ত কর্মকর্তাদের সন্তুষ্ট করতে হয়। এমডি ও পরিচালক কারিগরিকে টাকা দিতে হয়। আমাকে যে ব্যবসায়ী টাকা দিবে আমি তাকেই লাভ দিয়ে থাকি।” নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে পেশ করা অভিযোগপত্রে এমনটিই বলা হয়েছে।
নজরুল ইসলামের দুর্নীতির বিষয়ে বলা হয়, ঘুষখোর নজরুল ইসলামের বিভিন্ন ক্রয় কার্যক্রমে ঘুষের মধ্যে বর্তমানে রেশনিংয়ের কারণে উৎপাদন বন্ধ আছে। কিন্তু কর্মকর্তা নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য বিভিন্ন রাসায়নিক মালামাল যেমন- কস্টিক সোডা, সোডা অ্যাস (লাইট)সহ অন্যান্য রাসায়নিক পণ্য নিজের মনগড়া কমিটি দিয়ে বাজার দর যাচাইয়ের নামে অতি উচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মূল্যের সাথে ১৫% ভ্যাট ও ৪% ট্যাক্স যোগ করে প্রতিটি আইটেমের দাম বাড়িয়ে খণ্ড খণ্ড করে ক্রয় প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখেন। অথচ এই ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত প্রকৃত ভ্যাট ৫% ও ট্যাক্স ৩%। অর্থাৎ ৮% এর পরিবর্তে ১৯% ভ্যাট-ট্যাক্স ধার্য দেখিয়ে প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে পরিমাণ কমিয়ে উচ্চ মূল্যে অর্ডার দিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে নিচ্ছেন নজরুল ইসলাম ও তার সিন্ডিকেটচক্র। এর মধ্যে, লিকুইড কস্টিক সোডা ক্রয়াদেশ নম্বর এলপি-১৩৬, তারিখ ৩০/০৬/২০১৬ইং এর বিপরীতে প্রতিটন ৪৮ হাজার ৮৮০ টাকা হারে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ ক্রয় করা হয়েছিল। কিন্তু ‘ঘুষখোর’ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম কিছু অসাধু ব্যক্তির সাহায্যে যাচাই কমিটি করে মনগড়া দর নির্ধারণ করে একটি বা দুটি টেন্ডার ড্রপ করান এবং সাত মাসের ব্যবধানে প্রতিটনে ৯৪ হাজার ২৮৭ টাকা দরে ক্রয়াদেশ দেন। যার এলপি-০০১, তাং ০২/০৭/২০১৭ইং। এর বিপরীতে প্রতিটনে প্রায় ৪২ হাজার টাকার বেশি দিয়ে ৫০ টন লিকুইড কস্টিক সোডা ২৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের মাধ্যমে মালের জন্য মেসার্স শাহ আজাদকে অর্ডার দিয়ে ৪ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন নজরুল ইসলাম।  
সোডা অ্যাস (লাইট) প্রতিটন ক্রয়াদেশ নম্বর এলপি-০৮, তারিখ- ০১/১১/২০১৬ইং ২৮ হাজার ৩শ‘ টাকা দরে ক্রয় করা হয়েছিল। পরবর্তীতে একই কায়দায় নিজস্ব তথাকথিত কমিটির মাধ্যমে বাজার দর বৃদ্ধি দেখিয়ে ওটিএম টেন্ডার করে প্রতিটন ৩৬ হাজার ৮৮৫ টাকা দরে এলপি ১৬৩, তারিখ-০৫/০৪/২০১৭ইং এর মাধ্যমে ৩০ মেট্রিক টনের জন্য অর্ডার দেন এবং সেখান থেকে ১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির অভিযোগপত্রে আরো জানা গেছে, এলাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। ইতিপূর্বে এলাম ক্রয় করা হয়েছিল এলপি-১০৪, তাং ১৩/০৪/২০১৬ইং প্রতিটন ১৯ হাজার ৯০ টাকা দরে। কিন্তু নজরুল ইসলাম আসার পরে নিজের মনগড়া কমিটি দিয়ে প্রতিটন ২৬ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে মেসার্স ওয়াটা কেমিক্যালকে দিয়ে প্রতিটন ৫ হাজার ২শ টাকার বেশি দর ধরে অর্ডার দেন এবং ওয়াটা ক্যামিক্যালের থেকে এলাম ক্রয়ের মাধ্যমে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) নজরুল ইসলাম ও তার সিন্ডিকেট।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সালফিউরিক এসিড পরিবহনের ক্ষেত্রে পূর্বের প্রতিটনের মূল্য ছিল ১ হাজার ৯৩৮ টাকা। দুইবার টেন্ডার করে নির্ধারিত ৩টি প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডারে অংশগ্রহণ করান। প্রথম টেন্ডারে নজরুল ইসলামের ইঙ্গিতে ন্যূনতম দর প্রদান করেন ৩ হাজার ৮শ’ টাকা এবং দ্বিতীয় বার টেন্ডারের দর প্রদান করেন ৩ হাজার ৩শ’ টাকা। ওই ব্যক্তি প্রতিটনে পরিবহন ব্যয় ১ হাজার ৬শ’ টাকা বেশি দিয়ে ৫শ’ টনের জন্য অর্ডার দিয়ে ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।
এছাড়াও নজরুল ইসলাম ওটিএম বা আরটিএম টেন্ডার না করে প্রায় ২২ লাখ টাকার বিভিন্ন মালামাল নিজের পছন্দের লোকের মাধ্যমে আরএফটি দরপত্রের নিমিত্তে মালামাল ক্রয় করে ১০% হিসাবে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা লুটে নিয়েছেন। এর নথি নম্বর সিএম/এসএইচএম/১৭০/১৫-১৬। কিন্তু জিএম (কমার্স) যে ব্যক্তিকে কাজ দিয়েছেন, তার সাথে গোপন সমঝোতার মাধ্যমে ৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকানা নেন এবং তার সাথে এএফসিসিএলের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভূক্ত করে সীমিত দরপত্র আহ্বানের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে সিডিউল ইস্যু করেন ৬টি প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু বাকি যে প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্ত আছে- তাদেরকে কোনো সিডিউলই ইস্যু করেননি। যা পুরোপুরি সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থী ও নিয়ম বহির্ভূত।
এভাবে দুর্নীতিবাজ ও ক্ষমতার অপব্যবহারকারী জিএম নজরুল ইসলাম নিয়মবহির্ভুতভাবে ক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগপত্র উল্লেখ রয়েছে। অথচ এরকমের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে উল্টো এই দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয়ই দেওয়া হচ্ছে।
(সাপ্তাহকি শীর্ষকাগজে ১৯মার্চ ২০১৮ প্রকাশতি)