শনিবার, ২৬-মে ২০১৮, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
  • এক্সক্লুসিভ
  • »
  • দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে ডুবছে বান্দরবান বন বিভাগ

দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে ডুবছে বান্দরবান বন বিভাগ

sheershanews24.com

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮ ১০:৪৮ অপরাহ্ন

শীর্ষ কাগজের সৌজন্যে: বহুবিধ বৃক্ষরাজি, তরুলতা, পাহাড়ি নদী, বন্যহাতিসহ বন্যপ্রাণীর সমাবেশ নিয়ে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মিলনমেলা বান্দরবানে। যা বান্দরবান বন বিভাগের স্বাতস্ত্র বৈশিষ্ট। যুগের পর যুগ দেশি-বিদেশি ভ্রমণবিলাশীদের মনমুগ্ধ করছে বান্দরবানের এ প্রাকৃতিক রূপ-সৌন্দর্য। কিন্তু এ বনাঞ্চল সংরক্ষণের দায়িত্ব যার হাতে, তিনিই এসব উজাড় ও লুণ্ঠনকারীদের সঙ্গে মিলে-মিশে রক্ষকই ভক্ষকের ভূমিকায় মেতেছেন। এ অভিযোগ মিলেছে বান্দরবান বন বিভাগের প্রধান অর্থাৎ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. কাজী কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে। সেই সাথে অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও দায়িত্ব বন্টনেও ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগও এসেছে একাধিকবার। তবে, বহাল তবিয়তে থেকে সব ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন কাজী কামাল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বান্দরবান বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ কাজী কামাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তার পদে (চলতি দায়িত্বে) প্রায় দু’বছর ধরে দায়িত্বপালন করছেন। এ সময়ে তিনি বন ব্যবস্থাপক হিসেবে কোনও কাজ করতে সক্ষম না হলেও বন উজাড়সহ দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ‘জোত পারমিটের’ নামে তিনি সাঙ্গু সংরক্ষিত বনাঞ্চলের অসংখ্য বৃক্ষ উজাড়ে কাঠ চোরাকারবারীদের নির্লিপ্তভাবে সহায়তা করছেন। দিন যায় বৃক্ষ উজাড় হয়, জোতের ব্যবসায় বিভাগীয় প্রধানের পারসেন্টেজও বেড়ে হয় দ্বিগুণ! সৎ, যোগ্য কাঠ ব্যবসায়ীর স্থলাভিসিক্ত হয় অসৎ, ক্ষমতাবান বৃক্ষ পাচারকারী।
সূত্রমতে, জোত পারমিটের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে গাছ মার্কিং ও তা সঠিকভাবে হয়েছে কিনা সেটি তদারকি করা। কিন্তু বর্তমানে বান্দরবান বন বিভাগে এর কোনটাই হয় না। ঘরে বসেই তৈরি করা হয় তালিকা আর ডিএফও রুমে বসেই তালিকার অনুমোদন দেন এবং মাঠ পর্যায়ের তদারকির কাজও ঘরে বসেই সমাপ্ত করেন। অভিযোগ রয়েছে, মৌজায় অবস্থিত ২০-২৫টি গাছ দিয়ে হাজার-হাজার ঘনফুট জোত ইস্যু করা হচ্ছে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে। মৌজায় অনুপস্থিত বৃক্ষের স্থান দখল করে সংরক্ষিত বনের বৃক্ষ নিধনের মাধ্যমে। রেঞ্জ কর্মকর্তারাও ‘অলস রাজার কলস পূর্ণ করেন’ বিভিন্ন আবদার মিটিয়ে। তেমনি একটি আবদার মেটানো হয় উনার অফিস সজ্জা, বাসভবনসহ তার আঙ্গিনায় ফটক, লাইট ও ফুলের বাগান করে। সরকারি অর্থের সিকিভাগও খরচ করতে হয়নি এতে। ফলে, এ জন্য সরকারি বরাদ্দ অর্থ সহজেই আত্মসাতের মাধ্যমে এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ডিএফও কাজী কামাল। এছাড়াও, তার বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন বিল, মেহমান, বাজার-খরচ হতে শুরু করে ব্যক্তিগত কাজে বিমান ভাড়াসহ সব কিছুতে অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এ সব করেও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ডিএফও’র কাছ থেকে পেয়েছেন দুর্ব্যবহার ও অশালীন আচরণ। এমন অভিযোগও রয়েছে কাজী কামালের বিরুদ্ধে।
বান্দরবান ডিএফও’র ঘুষের রেট
বান্দরবান বন বিভাগের অধীন ৯টি রেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- সদর, টংকাবতী (হাঙ্গর বিট), রুমা, পাইন্দু, বেতছড়া, সেকদু, থানচি, বালাঘাটা নার্সারি সেন্টার ও সুয়ালক ফরেস্ট চেক স্টেশন। বান্দরবান বন বিভাগের প্রধানের (ডিএফও) বিরুদ্ধে এসব স্টেশনে বাগান মালী, বন-প্রহরী, ফরেস্টার ও ফরেস্ট রেঞ্জার প্রভৃতি পদে বদলি এবং পদায়নে ঘুষ বাণিজ্যের রেটসহ ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
বাগান মালি: প্লানটেশন মালি বা বাগান মালির পোস্টিংয়ে ডিএফও’র ঘুষের রেট ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে গরীব, অসহায় কর্মচারী- যারা উৎকোচ দিতে অসমর্থ তাদের ওপর নানাবিধ নির্যাতন চলতে থাকে ডিএফওর। বছরের পর বছর একই কর্মস্থলে কিংবা প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় বাধ্য হয়ে চাকরি করতে হয় তাদের।
বন-প্রহরী: বন-প্রহরী পোস্টিং বাণিজ্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বান্দরবানের ডিএফও। খারাপ রেঞ্জে বদলি করা হবে ভয় দেখিয়ে ঘুষ আদায় করা হয় কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা। পোস্টিংয়ের মেয়াদ বৃদ্ধি কিংবা ডিভিশনে বদলি হওয়ার পরও রিলিজ না করে পোস্টিং প্লেসে বহাল রাখার জন্য ঘুষের রেট ২০-৩০ হাজার টাকা। অন্যান্য বন প্রহরীর তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থান দেয়ার জন্য ঘুষের রেট ২০ হাজার টাকা। এই ‘ট্রাই ডায়ামেনশনাল করাপশন’ এর আগে কখনো দেখেননি বান্দরবান বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ফরেস্টারদের ক্ষেত্রে: ফরেস্টারদের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য। এর সাথে আরো একটি সংযোজন হচ্ছে, নতুন আসা ফরেস্টারদের প্রথমে সদর রেঞ্জে পোস্টিং দিয়ে ১ম দফায় কমপক্ষে ২ লাখ টাকা জনপ্রতি হাতিয়ে নেওয়া হয়। সদর রেঞ্জের অর্গানোগ্রামে ডেপুটি রেঞ্জার ১ জন ও ফরেস্টার ৩ জন রাখার বিধান থাকলেও বর্তমানে পোস্টিং দিয়ে রেখেছেন ফরেস্টার ৮ জন। পরে তাদেরকে অন্যান্য রেঞ্জের শূন্য ফরেস্টার পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে পদায়নের লোভ দেখিয়ে দ্বিতীয় দফায় পোস্টিং বাণিজ্য হয় ন্যূনতম ১ লাখ টাকা করে। বর্তমানে বান্দরবান বন বিভগের প্রধান রেঞ্জে ফরেস্টাদের সদর রেঞ্জ থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন কিংবা যে ফরেস্টারকে রেঞ্জের দায়িত্ব দিয়েছেন তাকে আবার সদর রেঞ্জের রেঞ্জ সহকারী হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন। ইতিপূর্বে বন প্রশাসনে এমনটি খুব কমই দেখা গেছে।
ফরেস্ট রেঞ্জারদের ক্ষেত্রে: ফরেস্ট রেঞ্জারদের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করেন ডিএফও। একজন রেঞ্জ কর্মকর্তা মূল দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এ জন্য ডিএফও’কে দিতে হয়েছে  ৫-৬ লাখ টাকা পর্যন্ত। এখানে একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, বান্দরবান বন বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রেঞ্জ আছে। এর মধ্যে থানচি রেঞ্জ অন্যতম। সংরক্ষিত সাঙ্গু রিজার্ভ ফরেস্ট এই রেঞ্জেই অবস্থিত। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জটির সাময়িক দায়িত্ব পালন করছেন একজন ফরেস্টার (গ্রেডেশন লিস্টে সিরিয়েল নাম্বার ৩৫২) এবং থানছি রেঞ্জের সহযোগী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন একজন ডিপ্লোমা ফরেস্টার, যার গ্রেডেশন লিস্টে সিরিয়েল নাম্বার ১৩৮। থানচি রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্বটি জ্যেষ্ঠতার বিধান অনুসারে বন্টন না করে গ্রেডেশন লিস্টের ৩৫২ নম্বরে থাকা মোঃ আলাউদ্দিনকে বান্দরবান বন বিভাগ রেঞ্জ কর্মকর্তা ও থানচি রেঞ্জের সাময়িক দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে বড় ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে। এদিকে বিপুল অংকের উৎকোচ গ্রহণ করে বিধি বহির্ভূতভাবে ৪২২ নম্বর সিরিয়ালে থাকা জুনিয়র ফরেস্টার প্রদীপ কুমার সরকারকে সুয়ালক স্টেশনে স্টেশন কর্মকর্তার দায়িত্বটি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রদান করা হয়। যার মূল দায়িত্ব রেঞ্জ কর্মকর্তা টংকাবতী রেঞ্জ। যদিও, বদলি সংক্রান্ত বিধিমালা ২০০৪ এর ৩খণ্ডতে রয়েছে, এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৮ বছর পূর্ণ হতে হবে। অথচ প্রদীপ কুমার সরকার ২ বছর পূর্বে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে কর্মরত থাকাকালীন ধুমঘাট চেক স্টেশনে সহযোগী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আট বছর পূর্ণ হয়নি। অপরদিকে, গ্রেডেশন লিস্টের ৬১২ নং সিরিয়ালে অবস্থিত সিকদার আতিকুর রহমানের ক্ষেত্রেও জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্যতা না থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ আদেশে বেতছড়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পরে তাকে সদর রেঞ্জও প্রদান করেন ডিএফও। ফরেস্ট ম্যান্যূয়েল, বদলি সংক্রান্ত বিধিমালা, বদলি কমিটির সুপারিশ, জ্যেষ্ঠতা বিধিমালা ও ফরেস্ট অর্গানোগ্রাম অনুসরণ না করে নিজের খেয়াল-খুশি মতো কাজী কামাল ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিটি বদলির ক্ষেত্রে এ সব অবৈধ আদেশ প্রদান করে আসছেন, যার অনুলিপি অফিস হেফাজতে রয়েছে।
রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অর্থ আত্মসাত: কাঠ ব্যবসায়ীদের সাথে গোপনে গড় নিলাম মূল্য কম রেখে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে ডিএফও কাজী কামালের বিরুদ্ধে। এতে সরকারের বড় অংকের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে কাজী কামাল রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। একটি নিলাম বিজ্ঞপ্তির ওয়ার্ক অর্ডারে দেখা গেছে, গর্জন, গোল ও রদ্দা ৫৫৮৫.৬৪ ঘনফুট কাঠ নিলামে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি বাবদ গড়ে প্রতি ঘনফুট ৩৪৬ টাকা দরে রাজস্ব দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, পাশ্ববর্তী ডিভিশন পাল্পউড বাগান বিভাগ সরকারি প্রতিষ্ঠান বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনকে গড় নিলাম মূল্যে কাঠ বরাদ্দ করে প্রতি ঘনফুট কাঠের রাজস্ব দেখিয়েছেন ১,০৭৯ টাকা। হিসাবে দেখা গেছে, প্রতি ঘনফুট ৩৪৬ টাকা হিসাবে ৫৫৮৫.৬৪ ঘনফুট কাঠের  ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৬৩১ টাকা রাজস্ব এসেছে। পার্শ্ববর্তী ডিভিশনের ১০৭৯ টাকা তো নয়ই, যদি তারও কম অর্থাৎ ন্যূনতম ৮০০ টাকা প্রতি ঘনফুট দরেও বিক্রি হয়ে থাকে তাহলে ৫৫৮৫.৬৪ ঘনফুটে আসার কথা  ৪৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫১২ টাকা। অর্থাৎ একটি নিলাম থেকেই রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়েছে ২৫ লাখ টাকার বেশি। এভাবে কাজী মোঃ কামাল হোসেন গত দেড় বছরে বান্দরবান বন বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বন রক্ষায় টহলদল নিস্ক্রিয়: বন বিভাগ রাষ্ট্রের এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা, বন অপরাধ দমনে অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মতো সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু বান্দরবান বন বিভাগে বন অপরাধ দমনে বিভিন্ন টহলদল নিয়োজিত থাকলেও এসব টহলদলের কার্যক্রম নিসিŒয়। প্রতিনিয়ত বন উজাড়সহ ইটভাটায় লাকড়ি পোড়ানো ও স’মিলগুলোতে বনের অবৈধ কাঠ চিরানো বন্ধে বান্দরবান বন বিভাগের অপরাধ দমন ইউনিটের কোনও কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না। টহল কার্যক্রম পরিচালনা করে অবৈধ বন অপরাধ বন্ধে তৎপর না হওয়ার অর্থ দাঁড়ায়, প্রকৃত বন অপরাধী ও পাচারকারীদের সাথে গোপন আঁতাত করা। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষা তথা বন্যপ্রাণী দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না বর্তমান ডিএফও। তাছাড়া তিনি বন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের। অভিযোগ রয়েছে, বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন যাতে ভালো থাকে, মাঠ পর্যায়ে কাজের স্বাচ্ছন্দতার সুযোগ যাতে পাওয়া যায়, চাহিদা মাফিক পারিবারিক প্রয়োজনে নৈমিত্যিক ছুটি- ইত্যাদি সুযোগ লাভের আশায় এবং দুর্ব্যবহার, কৈফিয়ত তলব, সাসপেন্ড- প্রোসেডিংসহ নানাবিধ অত্যাচার থেকে বাঁচতে ডিএফও কাজী কামালের চাহিদা মেটাতে বাধ্য হন অধীনস্থরা। এ ক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজ ডিএফও এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বান্দরবান বন বিভাগে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
(সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ৮ জানুয়ারি, ২০১৮ প্রকাশিত)